<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd" xmlns:googleplay="http://www.google.com/schemas/play-podcasts/1.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" version="2.0"><channel><title>Srimanta Ruidas's podcast</title><link>https://www.spreaker.com/show/srimanta-ruidass-podcast</link><description><![CDATA[]]></description><atom:link href="https://www.spreaker.com/show/4465350/episodes/feed" rel="self" type="application/rss+xml"/><language>en</language><category>Society &amp; Culture</category><copyright>Copyright Srimanta Ruidas</copyright><image><url>https://d3wo5wojvuv7l.cloudfront.net/images.spreaker.com/cloudinary/s--BqhdA8fd--/w_1000,h_800,c_fit,l_text:Lato_155_bold:Srimanta%20Ruidas%20s%20podcast/images.spreaker.com/default/show-1400x1400-20190801.jpg</url><title>Srimanta Ruidas's podcast</title><link>https://www.spreaker.com/show/srimanta-ruidass-podcast</link></image><lastBuildDate>Sat, 20 Jun 2020 07:31:34 +0000</lastBuildDate><itunes:author>Srimanta Ruidas</itunes:author><itunes:owner><itunes:name>Srimanta Ruidas</itunes:name><itunes:email>feeds@spreaker.com</itunes:email></itunes:owner><itunes:image href="https://d3wo5wojvuv7l.cloudfront.net/images.spreaker.com/cloudinary/s--BqhdA8fd--/w_1000,h_800,c_fit,l_text:Lato_155_bold:Srimanta%20Ruidas%20s%20podcast/images.spreaker.com/default/show-1400x1400-20190801.jpg"/><itunes:category text="Society &amp; Culture"/><itunes:explicit>clean</itunes:explicit><itunes:type>episodic</itunes:type><googleplay:author>Srimanta Ruidas</googleplay:author><googleplay:email>feeds@spreaker.com</googleplay:email><googleplay:category text="Society &amp; Culture"/><googleplay:explicit>No</googleplay:explicit><item><title>আগন্তুকের আবিস্কার</title><link>https://www.spreaker.com/user/12687912/x</link><description><![CDATA[বাড়ি থেকে কলেজ যাওয়া সুত্রে প্রতিদিনই বাসে উঠতে হয় আমাকে। কিন্তু সেদিন ঘটল এক অস্বাভাবিক ঘটনা। অনের কাছে অস্বাভাবিক নাও মনে হতে পারে। তবে আমার কাছে সেটা অস্বাভাবিক ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন বাসে একটা মেয়েকে দেখলাম সে সাটা সার্ট আর ব্লু জিন্স পড়ে আমার মনকে উদ্বিগ্ন করে তুলছিল। সে খুবই সুন্দর ছিল কি না তা আমার জানা ছিল না। হয়তো অতীব সুন্দরী নয় কিন্তু তবুও আমার ইন্দ্রিয়গুলি তার উপস্থিতি আমায় জানান দিচ্ছিল বারবার। আমার নয়ন দুটি তাকে বার বার প্রত্যক্ষ করছিল অবোধের মতো।যদিও মেয়েটাও আমার চোখে চোখ রাখল একটি বার তাও অজান্তেই। আর এই দেখে আমার মনে জোয়ার উঠল হঠাৎ ফুলে। তাকে আবিস্কার ইচ্ছা আমার মনে ঘন মেঘের সঞ্চার করছিল। কারনটা ঠাওর করা বেশ শক্ত ছিল তখন । হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। <br /><br />তার ওই লাল লিপ্সটিকে মাখা ঠোঁট থেকে আসা একটুকরো হাসি আমার মনে ওঠা জোয়ারকে আরও ফুলিয়ে দিচ্ছলো। মনে মনে ভাবছিলাম " এই পথ যদি না শেষ না হয়" তবে কেমন হয়!। বৈশাখ মাসের বিকালে দৃশ্যমান কালো মেঘের মতো চুল থেকে নির্গত সেই সুগন্ধ যেন আরবিয় সুগন্ধের মাত্রার দাড়িপাল্লাকেও নত করতে পারে। তার কানের দুলের শব্দ বাসের ওই মধ্যে ঘটা কোলাহল ভেদ করে আমার কানে প্রবেশ করল শরতের একটুকরো মেঘের মত অকাঙ্খিতভাবে। আর আমাকে মনে করাচ্ছিল তার উপস্থিতি। তার নিস্পাপ ও করুনাচ্ছন্ন চোখের দৃষ্টি বার বার আঘাত হানছিল লৌহমনঃকপাটে। কারনটা ওই যে হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। <br /><br />কিন্তু দূর্ভাগ্য আমার, তাকে নিয়ে ভাবনার সুপ্ত বাসনার অবসান হল অবশেষে। বাসের জেট বিমান তুল্য দ্রুত গতি আর বাসের তীব্র হিংসা জনিত কারনে আমার ওই মেয়েটির সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হল। নিস্পন্ন হল তাকে নিয়ে ভাবা আমার মহাজাগতিক কল্পনা। বাসটি হিংসা পরায়ন হয়ে তার বেগ বৃদ্ধি করে নিমেশের মধ্যে পৌঁছে দিল আমাদেরকে আমাদের গন্তব্যস্থল বর্ধমান তেলিপুকুর বাসস্ট্যান্ড। ইতিমধ্যে মেয়েটি ধীরে ধীরে তার সামগ্রী জোগাড় করে বাস থেকে নামতে লাগল। আর আমিও আমার ব্যাগটি নিয়ে দ্রুত মেয়েটির চোখ এড়িয়ে রওনা দিলাম। আর দূর থেকে অনুভব করলাম একজোড়া চোখ তাকাচ্ছে বারে বারে। অবশেষে আমি রওনা দিলাম কলেজের উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাসের মধ্যে আমি যখন উপস্থত ছিলাম তখনকার সোনালী ও সজ্জল স্মৃতি আমার চোখে পাতলা আস্তরন সৃষ্টি করেছিল। হয়তো সেই মেয়েটিও আমার মত একই রকম অনুভব করছিল? আমি সেই মেয়েটিকে নিয়ে অযথাই চিন্তা করছিলাম। কারনটা কিন্তু একটাই । এটা কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন আমি নিশ্চিত।<br /><br /> হ্যাঁ ঠিকই শুনেছো ক্রাশ খেলাম অবশেষে। এই ক্রাশ হল এমন এমন এক বন্ধন যেটা কোনো সম্পর্কের মায়াজালে আবদ্ধ থাকে না। এই সম্পর্ক সকল মেঘ সরিয়ে উঠে আসে গ্রীষ্মের প্রজ্জলিত সূর্যের মতো। আর তারপর আলোকিত ও উত্তপ্ত করে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীকে। যেমন ধরার বুকে সকল জীবের মধ্যে প্রানের ঢেউ উঠতে থাকে সেই সূর্য থেকে নির্গত রশ্মির কারনে।তেমনি তার শরীর থেকে নিঃসৃত হওয়া দৈবিক সরূপ রশ্মি আমার মধ্যে বিরাজমান সুপ্ত অনুভুতি গুলিকে জাগরিত করছিল। আর সেই সুপ্ত অনুভুতি গুলি বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল আমার বদ্ধ হৃদয়ের কারাগার থেকে।<br /><br /> দুঃখ শুধু একটায় মেয়েটির নাম আর পরিচয় আমার কাছে অজ্ঞাত রইল। তাকে নিয়ে এতকিছু আবিষ্কারের পরও এই তুচ্ছ বিষয়টি ব্যস্ততার কারনে আমার কাছে অনাবিস্কৃতই রয়ে গেল...<br /><br /> ❤<br /><br /> জীবনের এই ভাতের মতো,<br /> ক্রাশটাও একটা বিশেষ তরকারি।<br /> তবে পরের জিনিস দূড়েই রাখো,<br /> জীবনে ভালো থাকাটা খুব দরকারি।<br /><br /> --: সমাপ্ত :--<br /> 🖋 শ্রীমন্ত]]></description><guid isPermaLink="false">https://api.spreaker.com/episode/32053523</guid><pubDate>Sat, 20 Jun 2020 07:29:18 +0000</pubDate><enclosure url="https://api.spreaker.com/download/episode/32053523/draft_1592636925649565_audio.mp3" length="5033483" type="audio/mpeg"/><itunes:author>Srimanta Ruidas</itunes:author><itunes:subtitle>বাড়ি থেকে কলেজ যাওয়া সুত্রে প্রতিদিনই বাসে উঠতে হয় আমাকে। কিন্তু সেদিন ঘটল এক অস্বাভাবিক ঘটনা। অনের কাছে অস্বাভাবিক নাও মনে হতে পারে। তবে আমার কাছে সেটা অস্বাভাবিক ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন বাসে একটা মেয়েকে দেখলাম সে সাটা সার্ট আর ব্লু জিন্স পড়ে আমার...</itunes:subtitle><itunes:summary><![CDATA[বাড়ি থেকে কলেজ যাওয়া সুত্রে প্রতিদিনই বাসে উঠতে হয় আমাকে। কিন্তু সেদিন ঘটল এক অস্বাভাবিক ঘটনা। অনের কাছে অস্বাভাবিক নাও মনে হতে পারে। তবে আমার কাছে সেটা অস্বাভাবিক ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন বাসে একটা মেয়েকে দেখলাম সে সাটা সার্ট আর ব্লু জিন্স পড়ে আমার মনকে উদ্বিগ্ন করে তুলছিল। সে খুবই সুন্দর ছিল কি না তা আমার জানা ছিল না। হয়তো অতীব সুন্দরী নয় কিন্তু তবুও আমার ইন্দ্রিয়গুলি তার উপস্থিতি আমায় জানান দিচ্ছিল বারবার। আমার নয়ন দুটি তাকে বার বার প্রত্যক্ষ করছিল অবোধের মতো।যদিও মেয়েটাও আমার চোখে চোখ রাখল একটি বার তাও অজান্তেই। আর এই দেখে আমার মনে জোয়ার উঠল হঠাৎ ফুলে। তাকে আবিস্কার ইচ্ছা আমার মনে ঘন মেঘের সঞ্চার করছিল। কারনটা ঠাওর করা বেশ শক্ত ছিল তখন । হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। <br /><br />তার ওই লাল লিপ্সটিকে মাখা ঠোঁট থেকে আসা একটুকরো হাসি আমার মনে ওঠা জোয়ারকে আরও ফুলিয়ে দিচ্ছলো। মনে মনে ভাবছিলাম " এই পথ যদি না শেষ না হয়" তবে কেমন হয়!। বৈশাখ মাসের বিকালে দৃশ্যমান কালো মেঘের মতো চুল থেকে নির্গত সেই সুগন্ধ যেন আরবিয় সুগন্ধের মাত্রার দাড়িপাল্লাকেও নত করতে পারে। তার কানের দুলের শব্দ বাসের ওই মধ্যে ঘটা কোলাহল ভেদ করে আমার কানে প্রবেশ করল শরতের একটুকরো মেঘের মত অকাঙ্খিতভাবে। আর আমাকে মনে করাচ্ছিল তার উপস্থিতি। তার নিস্পাপ ও করুনাচ্ছন্ন চোখের দৃষ্টি বার বার আঘাত হানছিল লৌহমনঃকপাটে। কারনটা ওই যে হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। <br /><br />কিন্তু দূর্ভাগ্য আমার, তাকে নিয়ে ভাবনার সুপ্ত বাসনার অবসান হল অবশেষে। বাসের জেট বিমান তুল্য দ্রুত গতি আর বাসের তীব্র হিংসা জনিত কারনে আমার ওই মেয়েটির সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হল। নিস্পন্ন হল তাকে নিয়ে ভাবা আমার মহাজাগতিক কল্পনা। বাসটি হিংসা পরায়ন হয়ে তার বেগ বৃদ্ধি করে নিমেশের মধ্যে পৌঁছে দিল আমাদেরকে আমাদের গন্তব্যস্থল বর্ধমান তেলিপুকুর বাসস্ট্যান্ড। ইতিমধ্যে মেয়েটি ধীরে ধীরে তার সামগ্রী জোগাড় করে বাস থেকে নামতে লাগল। আর আমিও আমার ব্যাগটি নিয়ে দ্রুত মেয়েটির চোখ এড়িয়ে রওনা দিলাম। আর দূর থেকে অনুভব করলাম একজোড়া চোখ তাকাচ্ছে বারে বারে। অবশেষে আমি রওনা দিলাম কলেজের উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাসের মধ্যে আমি যখন উপস্থত ছিলাম তখনকার সোনালী ও সজ্জল স্মৃতি আমার চোখে পাতলা আস্তরন সৃষ্টি করেছিল। হয়তো সেই মেয়েটিও আমার মত একই রকম অনুভব করছিল? আমি সেই মেয়েটিকে নিয়ে অযথাই চিন্তা করছিলাম। কারনটা কিন্তু একটাই । এটা কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন আমি নিশ্চিত।<br /><br /> হ্যাঁ ঠিকই শুনেছো ক্রাশ খেলাম অবশেষে। এই ক্রাশ হল এমন এমন এক বন্ধন যেটা কোনো সম্পর্কের মায়াজালে আবদ্ধ থাকে না। এই সম্পর্ক সকল মেঘ সরিয়ে উঠে আসে গ্রীষ্মের প্রজ্জলিত সূর্যের মতো। আর তারপর আলোকিত ও উত্তপ্ত করে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীকে। যেমন ধরার বুকে সকল জীবের মধ্যে প্রানের ঢেউ উঠতে থাকে সেই সূর্য থেকে নির্গত রশ্মির কারনে।তেমনি তার শরীর থেকে নিঃসৃত হওয়া দৈবিক সরূপ রশ্মি আমার মধ্যে বিরাজমান সুপ্ত অনুভুতি গুলিকে জাগরিত করছিল। আর সেই সুপ্ত অনুভুতি গুলি বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল আমার বদ্ধ হৃদয়ের কারাগার থেকে।<br /><br /> দুঃখ শুধু একটায় মেয়েটির নাম আর পরিচয় আমার কাছে অজ্ঞাত রইল। তাকে নিয়ে এতকিছু আবিষ্কারের পরও এই তুচ্ছ বিষয়টি ব্যস্ততার কারনে আমার কাছে অনাবিস্কৃতই রয়ে গেল...<br /><br /> ❤<br /><br /> জীবনের এই ভাতের মতো,<br /> ক্রাশটাও একটা বিশেষ তরকারি।<br /> তবে পরের জিনিস দূড়েই রাখো,<br /> জীবনে ভালো থাকাটা খুব দরকারি।<br /><br /> --: সমাপ্ত :--<br /> 🖋 শ্রীমন্ত]]></itunes:summary><itunes:duration>315</itunes:duration><itunes:explicit>clean</itunes:explicit><itunes:image href="https://d3wo5wojvuv7l.cloudfront.net/t_rss_itunes_square_1400/images.spreaker.com/original/aea471036182ec8090e6246ca56fb703.jpg"/><itunes:episodeType>full</itunes:episodeType><googleplay:author>Srimanta Ruidas</googleplay:author><googleplay:description>বাড়ি থেকে কলেজ যাওয়া সুত্রে প্রতিদিনই বাসে উঠতে হয় আমাকে। কিন্তু সেদিন ঘটল এক অস্বাভাবিক ঘটনা। অনের কাছে অস্বাভাবিক নাও মনে হতে পারে। তবে আমার কাছে সেটা অস্বাভাবিক ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন বাসে একটা মেয়েকে দেখলাম সে সাটা সার্ট আর ব্লু জিন্স পড়ে আমার মনকে উদ্বিগ্ন করে তুলছিল। সে খুবই সুন্দর ছিল কি না তা আমার জানা ছিল না। হয়তো অতীব সুন্দরী নয় কিন্তু তবুও আমার ইন্দ্রিয়গুলি তার উপস্থিতি আমায় জানান দিচ্ছিল বারবার। আমার নয়ন দুটি তাকে বার বার প্রত্যক্ষ করছিল অবোধের মতো।যদিও মেয়েটাও আমার চোখে চোখ রাখল একটি বার তাও অজান্তেই। আর এই দেখে আমার মনে জোয়ার উঠল হঠাৎ ফুলে। তাকে আবিস্কার ইচ্ছা আমার মনে ঘন মেঘের সঞ্চার করছিল। কারনটা ঠাওর করা বেশ শক্ত ছিল তখন । হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। 

তার ওই লাল লিপ্সটিকে মাখা ঠোঁট থেকে আসা একটুকরো হাসি আমার মনে ওঠা জোয়ারকে আরও ফুলিয়ে দিচ্ছলো। মনে মনে ভাবছিলাম " এই পথ যদি না শেষ না হয়" তবে কেমন হয়!। বৈশাখ মাসের বিকালে দৃশ্যমান কালো মেঘের মতো চুল থেকে নির্গত সেই সুগন্ধ যেন আরবিয় সুগন্ধের মাত্রার দাড়িপাল্লাকেও নত করতে পারে। তার কানের দুলের শব্দ বাসের ওই মধ্যে ঘটা কোলাহল ভেদ করে আমার কানে প্রবেশ করল শরতের একটুকরো মেঘের মত অকাঙ্খিতভাবে। আর আমাকে মনে করাচ্ছিল তার উপস্থিতি। তার নিস্পাপ ও করুনাচ্ছন্ন চোখের দৃষ্টি বার বার আঘাত হানছিল লৌহমনঃকপাটে। কারনটা ওই যে হতে পারে কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন নয়তো বা অন্যকিছু। 

কিন্তু দূর্ভাগ্য আমার, তাকে নিয়ে ভাবনার সুপ্ত বাসনার অবসান হল অবশেষে। বাসের জেট বিমান তুল্য দ্রুত গতি আর বাসের তীব্র হিংসা জনিত কারনে আমার ওই মেয়েটির সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হল। নিস্পন্ন হল তাকে নিয়ে ভাবা আমার মহাজাগতিক কল্পনা। বাসটি হিংসা পরায়ন হয়ে তার বেগ বৃদ্ধি করে নিমেশের মধ্যে পৌঁছে দিল আমাদেরকে আমাদের গন্তব্যস্থল বর্ধমান তেলিপুকুর বাসস্ট্যান্ড। ইতিমধ্যে মেয়েটি ধীরে ধীরে তার সামগ্রী জোগাড় করে বাস থেকে নামতে লাগল। আর আমিও আমার ব্যাগটি নিয়ে দ্রুত মেয়েটির চোখ এড়িয়ে রওনা দিলাম। আর দূর থেকে অনুভব করলাম একজোড়া চোখ তাকাচ্ছে বারে বারে। অবশেষে আমি রওনা দিলাম কলেজের উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাসের মধ্যে আমি যখন উপস্থত ছিলাম তখনকার সোনালী ও সজ্জল স্মৃতি আমার চোখে পাতলা আস্তরন সৃষ্টি করেছিল। হয়তো সেই মেয়েটিও আমার মত একই রকম অনুভব করছিল? আমি সেই মেয়েটিকে নিয়ে অযথাই চিন্তা করছিলাম। কারনটা কিন্তু একটাই । এটা কিশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার ফল সরূপ ক্রাশ খাওয়া জীবনের জীবন্ত ঊদাহরন আমি নিশ্চিত।

 হ্যাঁ ঠিকই শুনেছো ক্রাশ খেলাম অবশেষে। এই ক্রাশ হল এমন এমন এক বন্ধন যেটা কোনো সম্পর্কের মায়াজালে আবদ্ধ থাকে না। এই সম্পর্ক সকল মেঘ সরিয়ে উঠে আসে গ্রীষ্মের প্রজ্জলিত সূর্যের মতো। আর তারপর আলোকিত ও উত্তপ্ত করে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীকে। যেমন ধরার বুকে সকল জীবের মধ্যে প্রানের ঢেউ উঠতে থাকে সেই সূর্য থেকে নির্গত রশ্মির কারনে।তেমনি তার শরীর থেকে নিঃসৃত হওয়া দৈবিক সরূপ রশ্মি আমার মধ্যে বিরাজমান সুপ্ত অনুভুতি গুলিকে জাগরিত করছিল। আর সেই সুপ্ত অনুভুতি গুলি বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল আমার বদ্ধ হৃদয়ের কারাগার থেকে।

 দুঃখ শুধু একটায় মেয়েটির নাম আর পরিচয় আমার কাছে অজ্ঞাত রইল। তাকে নিয়ে এতকিছু আবিষ্কারের পরও এই তুচ্ছ বিষয়টি ব্যস্ততার কারনে আমার কাছে অনাবিস্কৃতই রয়ে গেল...

 ❤

 জীবনের এই ভাতের মতো,
 ক্রাশটাও একটা বিশেষ তরকারি।
 তবে পরের জিনিস দূড়েই রাখো,
 জীবনে ভালো থাকাটা খুব দরকারি।

 --: সমাপ্ত :--
 🖋 শ্রীমন্ত</googleplay:description><googleplay:image href="https://d3wo5wojvuv7l.cloudfront.net/t_rss_itunes_square_1400/images.spreaker.com/original/aea471036182ec8090e6246ca56fb703.jpg"/><googleplay:explicit>No</googleplay:explicit></item></channel></rss>
